Home / লাইফ-স্টাইল / এই ৫ রকম মাংস শরীরের জন্য ক্ষতিকর
লাল মাংস এড়িয়ে চলুন
image: google

এই ৫ রকম মাংস শরীরের জন্য ক্ষতিকর

মাংস হলো অন্যতম খাদ্য উপাদান আমাদের জীবনে। অনেকেই আছেন যে মাংস তাদের খুব প্রিয় খাদ্য উপাদান। তবে মাংস খাওয়ার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে যে, যে মাংস আমরা খাচ্চি তা শরীরের জন্য কতটুকু উপকারি কিংবা অপকারি। কেননা এই মাংস বাড়িয়ে দেয় কোলেস্টেরল সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মত জটিল সব রোগ ব্যধি।

এক নজরে দেখে নিন যেসব কারণে এই ৫ ধরণের মাংস এড়িয়ে চলবেন:

রেড মিট বা লাল মাংস: WHO এর মতানুসারে রেড মিটকে অন্ত্র, অগ্ন্যাশয় এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য দায়ী।তবে স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞদের মতানুসারে, লাল মাংসের রং সৃষ্টিতে কার্যকর যৌগ উপাদানটিই ক্যান্সারের সৃষ্টির কারণ হতে পারে। এই উপাদানটি অন্ত্রের আস্তরণে মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। প্রতি সপ্তাহে ৫০০ গ্রামের কম পরিমাণ লাল মাংস খাওয়ার মাধ্যমে মানুষ ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে দূরে থাকতে পারে। তারা আরও জানান যে, লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এই মাংস এড়িয়ে চলুন।

পোল্টি মাংস: সাধারণত সুপারশপ বা মুরগির দোকানে খামারের মুরগি রাখা হয়। ইউকের ‘ফুড-স্ট্যান্ডার্ড-এজেন্সি’ ২০১৫ হতে ২০১৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে চার হাজার মুরগির নমুনা সংগ্রহ করে।এতে দেখা যায়, এদের ৩/৪% মাংসে বিষাক্ত জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। গবেষণায় বলা হয় যে, ৭৬% পোল্ট্রি খাবারে বিষাক্ত ক্যাম্পি-পাইলো-ব্যাকটার গোত্রের জীবাণুর উপস্থিতি রয়েছে। এরা খাদ্যে মারাত্মক বিষক্রিয়ায় দায়ী থাকে এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।

প্রকিয়াজাতকরণ মাংস: উন্নত বিশ্বের সুপার শপে বেশিরভাগই এই প্রকিয়াজাতকরণ মাংস বিক্রি করা হয়। বেকন, হ্যাম বা সসেজের মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া আর বিষ খাওয়া একই কথা। কেননা তামাক, অ্যালকোহল ও অ্যাস-বেসটসের সাথে মিলে যায় এমন সব ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে এসব মাংসে। WHO এর মতে, প্রতিদিন ৫০ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত যে কোনো মাংস অন্ত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৫% বাড়িয়ে দেয়। যা নিঃসন্দেহে মৃত্যু ডেকে নিয়ে আসা।

অ্যান্টিবায়োটিক সমৃদ্ধ মাংস: বেশ কিছু দিন আগরে ঘটান ব্রিটেনের খামারজাত শূকরের মাংসে মারাত্মক ক্ষতিকর ‘এম-আর-এস-এ’ মেলে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সকল ভোক্তাশ্রেণি। এটা এমনি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, যা অতিমাত্রায় অ্যান্টি-বায়োটিক ব্যবহারে বাসা বাঁধে। খামারে এসব প্রাণীকে সুস্থ রাখতে বা মোটাতাজাকরণে সচারচর নিয়ন্ত্রণহীন অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়। ওয়ার্ল্ড-ফার্মিংয়ের প্রধান নির্বাহী, স্যার ফিলিপ লিম্বেরি জানান, বিট্রেনে এসব অ্যান্টি-বায়োটিকসমৃদ্ধ মাংস খাওয়ার কারণে বছরে প্রায় ৫ হাজার লোক মৃত্যুর করে। তাহলে নিশ্চই বুঝতে পারছেন আমরা কি খাচ্ছি!

হট ডগ: এটি প্রিয় একটি খাবর রসনাবিলাসিদের কাছে। অতি প্রিয় এ খাবারের ভক্তরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাবেন। কেননা, বেশ কয়েক ধরনের হটডগে মানব ডিএনএ পাওয়া গেছে। বিশ্বের প্রায় ৭০টি নামকরা ব্র্যান্ডের ৩৪৪ ধরনের হটডগ পরীক্ষা করে মানব ডিএনএর আলামত পেয়েছে একটি গবেষণা সংস্থা। এই উপাদানগুলি পেটে গেলে চুল ও নখ পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। যার ফল দীর্ঘ মেয়াদী হয়ে থাকে।

তথ্য: সংগ্রহীত।

Check Also

সচেতন মানুষরা যে ভুলগুলো ২য় বার করে না

জীবনে চলার পথে ভুল হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এসব ভুল একবার করার পরেই আমাদের সতর্ক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!