Home / লাইফ-স্টাইল / এসি ব্যবহারে শরীরে কী কী সমস্যা হয় জানেন
এসি
image source: google

এসি ব্যবহারে শরীরে কী কী সমস্যা হয় জানেন

গরম ভাল লাগে এমন মানুষ আমাদের দেশে আছে সেটা বোধহয় ভাবা ঠিক হবেনা। এই গরমে একটু অসচেতন হলেই হতে পারে নানা অসুখবিসুখ। পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক এগুলো গরমের খুব প্রচলিত সমস্যা। এই গরমে ফ্যানের বাতাসেও যেন পাওয়া যায় গরমের ছোঁয়া।

গ্রীষ্মের এই অসহ্য গরমে আপনার অবস্থাও যদি এমন তাহলে আপনার জন্যেই দেওয়া হল গরমের ভেতরে এসি ছাড়াই ঠান্ডা থাকার কৌশল।

এক নজরে দেখে নিন এসির কুপ্রভাব:

১। এসি ঘরের তাপমাত্রা প্রাকৃতিক তাপমাত্রার চেয়ে কম হয়। এমন পরিবেশে মানবশরীরকে তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য অধিক পরিশ্রম করতে হয়। তার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

২। দিনে অন্তত ৪ ঘন্টা এসি ঘরে থাকা যাদের অভ্যেস, তাদের মিউকাস গ্ল্যান্ড স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে তাদের সাইনাসের সমস্যা দেখা দেয়।

৩। এসি ঘরে তাপমাত্রার অদলবদল হয় না। ফলে এসি ঘরে থাকতে থাকতে শরীরও এক ধরনের তাপমাত্রায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। কোনও কারণে সেই তাপমাত্রার চেয়ে গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় থাকতে হলে শরীর সেই তাপমাত্রার সঙ্গে চট করে মানিয়ে নিতে পারে না। এর ফলে উদ্বেগ কিংবা স্ট্রেসের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

৪। সারাক্ষণ এসি তে থাকলে শরীরে রক্তসঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে বিভিন্ন অংশের মাংসপেশিতে ক্র্যাম্প সৃষ্টি হয়, এবং মাথা ব্যথা দেখা দিতে পারে।

৫। এসি ঘরে স্বাভাবিকের তুলনায় আর্দ্রতা কম থাকে। এর ফলে স্কিনের ড্রাইনেস বা শুষ্কতার সমস্যা দেখা দেয়।

৬। এসি’র ফিল্টার যদি অনেক দিন পরিষ্কার করা না হয়, তা হলে এসি থেকে নির্গত বাতাসে অনেক সময় ধুলোবালি কিংবা ব্যাকটেরিয়া মিশে যায়। এর ফলে সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৭। দীর্ঘ সময় ধরে এসি ঘরে থাকলে অ্যাজমা অর্থাৎ হাঁপানির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি আপনার ঘন ঘন সর্দিকাশিতে আক্রান্ত হওয়ার রোগ বা ধুলোর অ্যালার্জি থেকে থাকে, তা হলে এসি ঘরে না থাকাই ভাল।

৮। এসি ঘরে থাকা হলে ধমনী বা শিরা সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে দেহে রক্ত সঞ্চালন প্রভাবিত হয়।

৯। ঘরে এসি থাকলে হাঁটু, কোমর, কনুই কিংবা ঘাড়ের কার্যকারিতাও প্রভাবিত হয়। সাধারণত এই সমস্ত জয়েন্টে এসি’র হাওয়ার প্রভাবে যন্ত্রণা দেখা দেয়।

১০। এসি শুধু ত্বক নয়, চোখকেও শুষ্ক করে দেয়। এর ফলে চোখে চুলকানি, চোখ লাল হওয়া, চোখ থেকে পানি ঝরা ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।

সম্ভব হলে এসি ছাড়াই জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

Check Also

সচেতন মানুষরা যে ভুলগুলো ২য় বার করে না

জীবনে চলার পথে ভুল হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এসব ভুল একবার করার পরেই আমাদের সতর্ক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!